তারুণ্যের চোখে ১৭ই মার্চ ও জাতীয় শিশু দিবস

সুবর্ন প্রভা নিয়ে এলো অনন্য এক মার্চ।
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশ ও করোনা মহামারীর সঙ্গে যুদ্ধ করে চলেছে।তার মধ্য দিয়েই এবারের মার্চ মাস বাঙালির জীবনে এসেছে অনন্য এক উদযাপনের উপলক্ষ্য নিয়ে।


যার হাত ধরে একাত্তরে এসেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সেই মহান নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন চলছে গতবছর মার্চ থেকে।আর এবারের মার্চ এ তা এসে মিলেছে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর উদযাপনের সাথে।

বাঙালি জাতির মুক্তির মহানায়ক শেখ মুজিব ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ এর টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।তিনি না থাকলে হয়তোবা বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক কোনো দেশ থাকত না।শুধুমাত্র তার হাত ধরেই বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ।২০২০ সালে তার জন্মের শত বর্ষ পুর্ন হয়।

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীদের হাতে আটক হওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।এরপর শুরু দির্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ।৯ মাস যুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীদের আত্মসমর্পণ এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে।

করোনা মহামারীর কারনে জাতির জনক এর জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজন কিছুটা ছেদ পড়েছিল। সেই কারনে বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে মুজিবশতবর্ষের সময়কাল ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

এই আয়োজন বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরি জানান বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। [জাহিরুল আলম (নিবির)]

তিনি আরো বলেন।আজ ১৭ মার্চ।জাতীয় শিশু দিবস।জাতীয় শিশু দিবস প্রতি বছর পালিত হয় জাতির জনক এর জন্মদিন এ।তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পালিত হয় এই দিবসটি।

এই দিবসটি ১ম দেশ হিসেবে তুরস্কে পালিত হয় ২৩ এপ্রিল ১৯২০ সালে।

তবে সারা বিশ্বে 'বিশ্ব শিশু' দিবস পালন করা হয় ২০ নভেম্বর এবং আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালিত হয় ১ জুন।তবে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৭ মার্চ এই দিবসটি পালিত হয়।

বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালে ১ম বার এই দিবসটি পালন করে।

[জাহিরুল আলম (নিবির)]কে প্রশ্ন করা হয়।বাংলাদেশে ১৭ এই মার্চ কেনো জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়,অন্য কোনো দিনে নয় কেনো?

উত্তরে তিনি বলেন শিশুদের প্রতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর  দরদ ছিলো অপরিসীম এবং তিনি শিশুদের খুব ভালোবাসতেন।তাই তার জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়।

এইদিন আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিনত করার নতুন শপথ নিতে হবে সবার।


মতামতঃ জাহিরুল আলম(নিবির)

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নাজিরপুর ইউনিয়ন শাখা


0/একটি মন্তব্য করুন/Comments