আগামী ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপে ১৯ জেলার ৬৪ উপজেলার ৩৭১ টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় প্রথম ধাপের ৩৭১ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত হতে পারে।
ইসির সূত্রে জানা যায়, গতকাল অর্থাৎ ২৯শে মার্চ রোজ সোমবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নরুল হুদার সভাপতিত্বে একটি জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল , বেগম কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন, ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এবং অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ইসির বৈঠক সূত্রে আরো জানা যায়, সারাদেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের হার দিন দিন বাড়ছে। যা নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ১৮টি নির্দেশনার ঘোষণা করেন। তার পরপরই ইসির বৈঠক তা নিয়ে আলোচনা করা হয় । সেখানে আগামী ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপের অনুষ্ঠেয় সব নির্বাচন স্থগিত করার বিষয়ে কমিশন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
আগামী ১ এপ্রিল ২০২১ইং রোজ বৃহস্পতিবারের কমিশন সভার পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা অনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে ইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে। ইসির কমিশন সভা শেষে অনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন স্থগিত করার বিষয়টি জানানো হবে। গতকাল অর্থাৎ ২৯শে মার্চ রোজ সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এসকল তথ্য জানা যায়।
তবে আসন্ন ১১ই এপ্রিল ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সহ লক্ষীপুর-২ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে আগামী ১১ই এপ্রিল নির্বাচন হবে কিনা তা এখনো চূড়ান্ত ভাবে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আগামী ১ এপ্রিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
তবে গত ৩রা মার্চ রোজ বুধবার নির্বাচন কমিশন সভায় অনুমোদনের পর ইউপি ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। সেই ঘোষণায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ১৮ই মার্চ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র বাছাই ১৯ মার্চ ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৪ মার্চ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন