প্রকৃতির অপরুপ সাজে গ্রামীণ প্রকৃতি - সংবাদ উইক্লি ২৪


এস. ইসলাম, গাইবান্ধা রিপোর্টারঃ

বর্ষার ঘন বর্ষণে পথ ঘাটসহ গ্রামীন জনপদ সবুজ সতেজ হয়ে উঠেছে। সেই সাথে করোনার ভয়াল থাবায় দেশ যখন মৃত্যুর মিছিল চলছে সেই সময়ে অবকাশ যাপনের জন্য গ্রামেই শ্রেয়। নেই কোন কোলাহল, যানজট, খরতাপ এবং বেচে থাকার জন্য নেই কোন প্রতিযোগিতা। গ্রামের পথে প্রান্তরে ঘুরলে মনটা সজীব হয়, বিশুদ্ধ বাতাসে শরীর জুড়ায়। গ্রামে আসলেই যেন শৈশব ও কৈশোর কথা মনে পড়ে যায়। সুবিস্তীর্ণ পাথার, পুকুর ও নদ- নদী দেখতে দেখতে দিন কেটে যায়।  মন থেকে ভুলে যাই কর্ম ব্যস্ততার কথা। মনে হয় গ্রামেই থেকে যায় আজীবন, সারা জীবন। এখান সরল সহজ লোকজন, প্রকৃতি, কৃষকের জমিতে কাজ করা, জেলের মাছ ধরা ও গ্রামের দূরন্ত ছেলে নদীতে হৈচৈ করে গোসল করা দেখতে সত্যিই খুব ভালো ও আনন্দ লাগে সবারই। প্রখর দুপুর বেলায় মাঠে গরু ও ছাগল চড়ানোর দৃশ্য গুলো গ্রামের প্রকৃতি কে আলাদা করে তুলে। গ্রামের আকাশে এই রোদ, এই মেঘাচ্ছন্ন দেখতে দেখতে দিন কেটে যায়। বিকালে সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় লাল রক্ত বর্ণ ধারণ করে যা গ্রামীণ  প্রকৃতিকে মায়াবী করে তোলে। সন্ধ্যায় লোকজন গ্রামের বাজারে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার সদাই কেনেন, কেউ আবার চায়ের দোকান বসে টিভি দেখে,গল্প গুজব কর যা কিন্তু শহরে দেখাই যায় না। তাই বাংলাকে শস্য শ্যামল হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে কারণ এই গ্রামীণ প্রকৃতি। তাই এই মহামারি হতে রক্ষা পেতে হলেই গ্রামের কোন বিকল্প নেই।  বিশুদ্ধ বাতাস, নির্মল পরিবেশ, কোলাহল মুক্ত জীবন ও কর্ম ব্যস্তহীন চাইলে গ্রামীণ পরিবেশে আসতে হবে। তাই বলা যায় গ্রামীণ প্রকৃতি এই বর্ষার সময় অপরুপ সেজেছে।

0/একটি মন্তব্য করুন/Comments