আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ভারতের উত্তর প্রদেশের হিন্দুরা প্রায় সময়ই অমানবিক নির্যাতন করছে সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের উপর। গেল কিছুদিন আগে এক মুসলমান যুবক পানি পানের জন্য এক মন্দিরে প্রবেশ করলে তার উপর অমানবিক নির্যাতনের করে মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেখানে তারা ‘জয় শ্রীরাম’, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা তাকেও একই স্লোগান দিতে বাধ্য করে। তথ্যসূত্রঃ বিবিসি।
এরও আগে গত ৫ই জুন উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার আবদুল সামাদ নামক এক বৃদ্ধি ব্যাক্তি মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় তার উপর হামলা করা হয়। তার দাড়ি কামিয়ে সেই ছবি সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে দেয় কিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। এরপর তাকে "জয় শ্রীরাম" বলতে বাধ্য করে। এ ঘটনায় উত্তর প্রদেশের পুলিশের তেমন কোন সক্রিয় ভূমিকার জন্য জানা যায় নি। তথ্যসূত্রঃ ভারতীয় গনমাধ্যম এনডিটিভি।
গত ২৪শে মার্চ উত্তর প্রদেশের ইটাওয়াহ জেলার এক মন্দিরে মুসলিম শ্রমিককে মারধর করল হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনায় সাথে স্থানীয় বিজেপি নেতা শৈলেন্দ্র ভারমা উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়িত ছিলেন বলে ‘নিউজ ১৮ হিন্দি’ এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এভাবেই একের পর এক অমানবিক নির্যাতনের চালাচ্ছে উত্তর প্রদেশের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা। এতটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয় তারা মুসলিম নারীদের তুলে নিয়ে ধর্ষন এবং রাস্তাঘাটে তাদের নির্যাতন করে তা সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের ভয়ে মুসলমান নারীরা বাড়ির বাইরে বেড় হতে পাড়ছেনা। এই ঘটনার সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং আইনের লোকোর যুক্ত থাকার তথ্য জানিয়েছে উত্তর প্রদেশের গনমাধ্যম গুলো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন